Ernest Hemingway Biography In Bengali – আর্নেস্ট মিলার হেমিংওয়ে জীবনী

Ernest Hemingway Biography In Bengali – আর্নেস্ট মিলার হেমিংওয়ে জীবনী
Ernest Hemingway Biography In Bengali – আর্নেস্ট মিলার হেমিংওয়ে জীবনী

Ernest Hemingway Biography In Bengali – আর্নেস্ট মিলার হেমিংওয়ে জীবনী

Ernest Hemingway Biography In Bengali – আর্নেস্ট মিলার হেমিংওয়ে জীবনী: আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি মহান ব্যক্তিদের জীবনী সমগ্র। মহান ব্যক্তি আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা। তাঁদের জীবনের ক্ষুদ্রতম অংশগুলি আমাদের জন্য শিক্ষামূলক হতে পারে। বর্তমানে আমরা এই মহান ব্যক্তিদের ভুলতে বসেছি। যাঁরা যুগ যুগ ধরে তাদের কর্ম ও খ্যাতির মধ্য দিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন এবং জ্ঞান, বিজ্ঞান, শিল্প ও সাহিত্যের জগতে এক অনন্য অবদান রেখেছেন এবং তাঁদের শ্রেষ্ঠ গুণাবলী, চরিত্র দ্বারা দেশ ও জাতির গৌরব বৃদ্ধি করেছেন। সেইসব মহান ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম আর্নেস্ট মিলার হেমিংওয়ে (Ernest Hemingway) -এর সমগ্র জীবনী সম্পর্কে এখানে জানব।

আর্নেস্ট মিলার হেমিংওয়ে এর জন্ম: Ernest Hemingway’s Birthday

প্রখ্যাত মার্কিন ঔপন্যাসিক এবং ছোটগল্পকার আর্নেস্ট হেমিংওয়ের জন্ম ১৮১৯ খ্রিঃ ২১ শে জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয়েস রাজ্যের ওক পার্কে।

আর্নেস্ট মিলার হেমিংওয়ে এর পিতামাতা ও জন্মস্থান: Ernest Hemingway’s Parents And Birth Place

তার বাল্যকাল কেটেছে বিচিত্র পারিবারিক পরিবেশের মধ্যে। বাবা ছিলেন ডাক্তার। আর শিকার পাগল মানুষ।

হেমিংওয়ে শিকারে হাত পাকিয়ে ছিলেন ছেলেবেলায় বাবার কাছ থেকেই। অন্যদিকে মা ছিলেন সংগীত রসিক। তার ইচ্ছা ছিল ছেলে সংঙ্গীতজ্ঞ হবে।

পিতামাতা দুজন ভিন্ন রুচির মানুষ, ফলে তাদের মধ্যে কারণে অকারণে অশান্তি আর খিটিমিটি লেগেই থাকত। এই পরিবেশে হেমিং -এর মন স্বভাবতঃই নিঃসঙ্গ বােধের শিকার হয়ে পড়েছিল।

আর্নেস্ট মিলার হেমিংওয়ে এর শিক্ষাজীবন: Ernest Hemingway’s Educational Life

পড়াশােনা শুরু হয়েছিল ওকপার্ক হাইস্কুলে। যথেষ্টই মনোেযােগী ছাত্র ছিলেন হেমিং।স্কুলের পড়ার বইয়ের বাইরের জগৎসম্পর্কে ছিল তীব্র অনুসন্ধিৎসা।ফলে নানা বিষয়ের বই নিয়ে ডুবে থাকতেন।

আর্নেস্ট মিলার হেমিংওয়ে এর কর্ম জীবন: Ernest Hemingway’s Work Life

হেমিং -এর পড়াশােনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্তর পর্যন্ত পৌছয়নি। তার আগেই তিনি কর্মজীবনে প্রবেশ করেন।ক্যানসাস সিটিস্টার পত্রিকায় সাংবাদিক হিসেবে জীবন শুরু করেন।

হেমিং সাংবাদিক হিসেবে প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। টরন্টো স্টার পত্রিকার সাংবাদিক হিসেবে তাকে ইউরােপের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করতে হয়েছিল। ১৯২৫ খ্রিঃ তার প্রথম গল্প গ্রন্থ ইন আওয়ার টাইমস এবং পরের বছর প্রথম উপন্যাস দ্য সান অলসাে রাইজেস প্রকাশিত হবার পর হেমিং লেখক হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন।

সাহিত্য রচনার সহজাত প্রতিভা নিয়ে জন্মালেও হেমিং বাল্যবয়স থেকেই বিচিত্র মানসিকতার শিকার হয়ে পড়েছিলেন।

বলাই বাহুল্য বাবা -মায়ের অমিল সংসার থেকেই এই অস্থিরতা তার মধ্যে বাসা বেঁধে ছিল।

আর্নেস্ট মিলার হেমিংওয়ে এর বিবাহ জীবন ও পরিবার: Ernest Hemingway’s Marriage Life And Family

যৌবনে নিজে যখন বিয়ে করলেন, বারবার নিজের সংসার ভাঙ্গল, গৃহসুখ বা সংসার বন্ধন বলে কিছুই প্রায় ছিল না তার। ১৯২১ খ্রিঃ থেকে ১৯৪৬ খ্রিঃ পর্যন্ত চারবার বিবাহও বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে তার জীবনে।

তার চতুর্থ স্ত্রী মারী ছিলেন ওয়েলস ডেলি এক্সপ্রেসের ফিচারিস্ট। জীবনে চরম প্রতিষ্ঠার সময়ে এই স্ত্রীই ছিলেন তাঁর পাশে।

আর্নেস্ট মিলার হেমিংওয়ে এর রচনা: Written by Ernest Hemingway

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অভিজ্ঞতায় পূর্ণ উপন্যাস এ ফেয়ারওয়েল টু আর্মস (১৯২৯ খ্রিঃ) প্রকাশের পর হেমিংওয়ে আন্তর্জাতিক খ্যাতি লাভ করেন।

তাঁর রচনা জার্মান ফ্রান্স সহ আরাে অনেক ভাষায় অনূদিত হতে থাকে। অনেকের মতে হেমিংওয়ের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হল স্পেনীয় যুদ্ধের অভিজ্ঞতায় রচিত উপন্যাস ফর হুম দ্য বেল টোলস।

বইটি প্রকাশিত হয় ১৯৪০ খ্রিঃ। তার গীতিধর্মী অসামান্য উপন্যাসদ্য ওল্ডম্যান অ্যান্ড দ্য সী প্রকাশিত হয় ১৯৫২ খ্রিঃ। অন্যান্য উল্লেখযােগ্য রচনার মধ্যে আছে মেন উইদাউট উইমেন (১৯২৭), উইনার টেক নাথিং (১৯৩৩), টু হ্যাভ অ্যান্ড হ্যাভ নট (১৯৩৭), স্পেন দেশের ষাঁড়ের লড়াই বা বুল ফাইট নিয়ে রচিত ডেথ ইন দ্য আফটারনুন (১৯৩২) এবং মৃত্যুর পরে প্রকাশিত আত্মজীবনীমূলক রচনা এ মুভেবল ফিস্ট (১৯৬৪) ও আইল্যান্ড ইন দ্য স্ট্রীম (১৯৭০)।

আর্নেস্ট মিলার হেমিংওয়ে এর পুরস্কার ও সম্মান: Ernest Hemingway’s Awards And Honors

হেমিংওয়ে ১৯৫২/১৯৫৩ খ্রিঃ পুলিৎজার পুরস্কার এবং ১৯৫৪ খ্রিঃ সাহিত্যে নােবেল পুরস্কার লাভ করেন।

হেমিংওয়ের বাবা আত্মহত্যা করে জীবনযন্ত্রণা থেকে অব্যাহতি পেয়েছিলেন (১৯২৮ খ্রিঃ)।তিনি নিজেও বহুবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

আর্নেস্ট মিলার হেমিংওয়ে এর মৃত্যু: Ernest Hemingway’s Death

শেষ পর্যন্ত ১৯৬১ খ্রিঃ আত্মহত্যার মধ্য দিয়েই জীবনাবসান ঘটে।

আরও পড়ুন-

Join Our Telegram Channel

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here